নতুন ফ্রিজ নিবেন অথবা পুরাতন ফ্রিজ নিয়ে হয়তো চিন্তিত আছেন - মাস শেষে ফ্রিজের জন্য অতিরিক্ত কত বিল গুনতে হবে? তাহলে এই পোস্টটি আপনার জন্য।
এই পোস্টে যা থাকছে-
- একটি ফ্রিজ বা রেফ্রিজারেটরের বিদ্যুৎ বিল কত হতে পারে?
- ফ্রিজ বা রেফ্রিজারেটরের বিদ্যুৎ বিল কমাবেন কিভাবে?
ফ্রিজ বা রেফ্রিজারেটরের বিদ্যুৎ বিলের হিসাব
10 থেকে 15 সিএফটি ( বা ২৮০ থেকে ৪২০ লিটার ) রেফ্রিজারেটর বা ফ্রিজ সাধারণত ৩০০ ওয়াটের হয়ে থাকে। কোন রেফ্রিজারেটর কত পাওয়ার নেয় তা এর নেমপ্লেটে উল্লেখ থাকে।
এখানে ৩০০ ওয়াটের একটি ফ্রিজ কি পরিমাণ পাওয়ার খরচ করে এবং মাসে কি পরিমাণ বিল আসতে পারে তা হিসাব করবো।
একটি ফ্রিজে সাধারণত ২৪ ঘন্টার ৬ ঘন্টা কম্প্রেসর চালু থাকে। বাকি 18 ঘন্টাই ফ্রিজের কম্প্রেসর বন্ধ অবস্থায় থাকে। তবে ব্যবহারের উপর ভিত্তি করে এই সময় ভিন্ন হতে পারে। ফলে এক দিনে 6 ঘন্টা এক মাসে ঘন্টা ফ্রিজ চালু থাকে।
তাহলে ঐ ফ্রিজের এক মাসে মোট বিদ্যুৎ খরচ দাঁড়ায়,
ওয়াট-ঘন্টা = ওয়াট-ঘন্টা = ইউনিট
বাংলাদেশের বিদ্যুৎ বিলের বিভিন্ন স্টেপ অনুযায়ী সর্বোচ্চ বিলের হার 11 টাকা এবং সর্বনিম্ন হার 4.19 টাকা।
তাহলে ঐ ফ্রিজের সর্বোচ্চ মাসিক বিল =
টাকা
তাহলে ঐ ফ্রিজের সর্বনিম্ন মাসিক বিল =
টাকা
রাইস কুকারের বিল নিয়ে চিন্তিত হলে নিচে পড়ে দেখতে পারেন
ফ্রিজ বা রেফ্রিজারেটরের বিদ্যুৎ বিল কমাবেন কিভাবে?
- ফ্রিজ অংশে বরফ না জমতে দেয়াই ভালো। বরফ তাপ কুপরিবাহী হওয়ায় এটি প্রচুর পরিমাণে শক্তি অপচয় করে। মোটামুটি আধা সেন্টিমিটারের একটু বেশি বরফ জমলে তা তুলে ফেলা উচিত।
- ফ্রিজের থার্মোস্ট্যাট ব্যবহার করা জানতে হবে। অনেক সময় তাড়াতাড়ি ঠান্ডা করার জন্য নব ঘুরিয়ে রাখা হয়। প্রয়োজনীয় তাপমাত্রা অনুযায়ী ঘুরিয়ে যথাযথ স্থানে রাখা উচিত। এতে ফ্রিজের ভেতরের তাপমাত্রা ঠিক থাকে ও বিদ্যুৎ সাশ্রয় হয়।
- মনে রাখতে হবে, ভর্তি ফ্রিজের তুলনায় খালি ফ্রিজ বেসি বিদ্যুৎ ব্যবহার করে।
- খেয়াল রাখতে হবে, ফ্রিজ থেকে মালামাল বের করার ক্ষেত্রে যত কম সময় সম্ভব দরজা খোলা থাকে।
সুন্দর একটি কথা
উত্তরমুছুন